, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। সোহাগ মুন্সী হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। সাভার স্মৃতিসৌধে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন। সাভারের বেদে সম্প্রদায়ের পরিবারের উপর হামলায় নারীসহ আহত ৩ ঢাকার রাজধানীসহ সারাদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্প। সাভার নামাবাজার পাঁচ হাজারে লিজ নেওয়া সরকারি ভিপি সম্পত্তি কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ। সাভার স্পেশালাইজ্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অধিনায়ক জামাল হারিস ভুইয়া। অভিনয় জগত শিল্পীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধে আহবান ডিপজলে’র। আশুলিয়ার হালিম জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগী লাইফ সাপোর্টে। আশুলিয়ায় চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা,আহত ৩

ওসির দূর্নীতির তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিকদের নামে আওয়ামীলীগ নেত্রীর চুরির মামলা।

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের দূর্নীতি নিয়ে তথ্য চাওয়ায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলাদেশ বুলেটিন এর নিজস্ব প্রতিবেদক ও আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসলাম হাওলাদার সাকিব এবং সকালের সময় পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি সুফি সুমনের বিরুদ্ধে উল্টো চুরির মামলা করেছেন আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে বাদী বানিয়ে এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীর ।কোনো রকম প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)বিরুদ্ধে।সরজমিন তথ্যসূত্র থেকে জানা যায়,মামলার বাদী অ্যাডভোকেট নাছরীন আক্তার,যিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের নেত্রী এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে পরিচয় দেন।সম্প্রতি আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান করছিলেন সাকিব আসলাম ও সুফি সুমন।তার সতত্যা পাওয়ার পর বক্তব্য জানতে চাইলে আওয়ামীলীগ নেত্রী নাছরীন আক্তার কে দিয়ে শ্লীলতাহানি ও চুরির অভিযোগ এনে একটি মামলা নথিভুক্ত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল হান্নান।এদিকে মামলার বাদী ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাছরিন আক্তার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডাঃ এনামুর রহমান এবং উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের সঙ্গে তার সখ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জমি দখল করে চলেছেন।সম্প্রতি, তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিলে লোকবল ও অর্থ সংগ্রহ করতেও দেখা গেছে বলে জানা যায়।এদিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুল হান্নান কিভাবে কোনো রকম প্রাথমিক সত্যতা যাচাই না করেই দ্রুত মামলাটি নথিভুক্ত করলেন,তা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল এবং সচেতন নাগরিক সমাজে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এদিকে ভুক্তভোগী ​সাংবাদিক সুফি সুমন অভিযোগ করে বলেন,তারা নাছরীন আক্তার অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ওঠা ভূমি জালিয়াতি ও দখল দারিত্বের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায়,নেত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘চুরির’মতো মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেছেন।তারা দাবি করেন,এটি স্বাধীন সাংবাদিকতাকে রুদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা।​এই বিষয়ে অপর ভুক্তভোগী সাংবাদিক আসলাম হাওলাদার সাকিব বলেন,ওনার চেম্বারে যাওয়া তো দূরের কথা এই মামলার বাদীর সাথে আমার কোনোদিন সামনাসামনি দেখাও হয় নাই। তাছাড়া মামলা এজাহারে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে গত মাসের ১১ তারিখ এবং সময় উল্লেখ করা হয়েছে সকাল ৯ঘটিকা।তবে আমি ক্যালেন্ডার চেক দিয়ে দেখেছি সেদিন ছিল শনিবার সরকারি বন্ধ।বন্ধের দিন এসিল্যান্ড অফিসের পাশে যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না।আর সকাল নয়টায় তো আমি বাসায় ঘুমে ছিলাম। আমার মোবাইলের লোকেশন বের করলেও সেটা দেখা যাবে।তাহলে মামলা দেওয়া হল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার বাদী আওয়ামী নেত্রী নাছরিন ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক।কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করেছেন।তাছাড়া উনি গোপনে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।আমি এই বিষয় নিয়ে নিউজ করায় আমার বিরুদ্ধে উনি মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।তাছাড়া বর্তমান ওসির বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে আমি ওসি’র বক্তব্য চেয়েছি ।তাই ওসি সাহেব ক্ষিপ্ত হয়ে কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যে ভিত্তিহীন মামলাটি রেকর্ড করেছে।​এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী অ্যাডভোকেট নাছরীন আক্তার বলেন, আশুলিয়া থানায় আমি বেশ কয়েকটি মামলা করেছি,সম্প্রতি যে মামলা হয়েছে সে বিষয়ে যেখানে থেকে তথ্য পেয়েছেন সেখানে থেকে তথ্য নেন।এদিকে এ মামলার বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কথা হয় ইন্সপেক্টর (তদন্ত)মোঃ আজগর হোসেন এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলতে চাইনা।অফিসিয়াল ভাবে কোন অনুমতি নেই বলে জানান তিনি।ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল)মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,আমি নিজে তদন্তে করেছি।তথ্য কিছু টা সত্য মনে হয়েছে তাই মামলা নথিভুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।তবে নারী হিসেবে তদন্ত টা সেভাবে করা হয়েছে।আসামীরা সাংবাদিক কিনা জানি না।গত শনিবার(২ই নভেম্বর ২০২৫ইং)রাতে আশুলিয়া থানায় নাছরীন আক্তার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।আসামী করা হয় দুই সাংবাদিকদ’কে।
বিস্তারিত থাকছে ২য় পর্বে

বাংলাদেশ সময়:
০৪ই নভেম্বর ২০২৫ইং
এএসইএম

জনপ্রিয়

গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

ওসির দূর্নীতির তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিকদের নামে আওয়ামীলীগ নেত্রীর চুরির মামলা।

প্রকাশের সময় : ০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের দূর্নীতি নিয়ে তথ্য চাওয়ায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলাদেশ বুলেটিন এর নিজস্ব প্রতিবেদক ও আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসলাম হাওলাদার সাকিব এবং সকালের সময় পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি সুফি সুমনের বিরুদ্ধে উল্টো চুরির মামলা করেছেন আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে বাদী বানিয়ে এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীর ।কোনো রকম প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)বিরুদ্ধে।সরজমিন তথ্যসূত্র থেকে জানা যায়,মামলার বাদী অ্যাডভোকেট নাছরীন আক্তার,যিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের নেত্রী এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে পরিচয় দেন।সম্প্রতি আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান করছিলেন সাকিব আসলাম ও সুফি সুমন।তার সতত্যা পাওয়ার পর বক্তব্য জানতে চাইলে আওয়ামীলীগ নেত্রী নাছরীন আক্তার কে দিয়ে শ্লীলতাহানি ও চুরির অভিযোগ এনে একটি মামলা নথিভুক্ত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল হান্নান।এদিকে মামলার বাদী ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাছরিন আক্তার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডাঃ এনামুর রহমান এবং উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের সঙ্গে তার সখ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জমি দখল করে চলেছেন।সম্প্রতি, তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিলে লোকবল ও অর্থ সংগ্রহ করতেও দেখা গেছে বলে জানা যায়।এদিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুল হান্নান কিভাবে কোনো রকম প্রাথমিক সত্যতা যাচাই না করেই দ্রুত মামলাটি নথিভুক্ত করলেন,তা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল এবং সচেতন নাগরিক সমাজে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এদিকে ভুক্তভোগী ​সাংবাদিক সুফি সুমন অভিযোগ করে বলেন,তারা নাছরীন আক্তার অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ওঠা ভূমি জালিয়াতি ও দখল দারিত্বের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায়,নেত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘চুরির’মতো মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেছেন।তারা দাবি করেন,এটি স্বাধীন সাংবাদিকতাকে রুদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা।​এই বিষয়ে অপর ভুক্তভোগী সাংবাদিক আসলাম হাওলাদার সাকিব বলেন,ওনার চেম্বারে যাওয়া তো দূরের কথা এই মামলার বাদীর সাথে আমার কোনোদিন সামনাসামনি দেখাও হয় নাই। তাছাড়া মামলা এজাহারে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে গত মাসের ১১ তারিখ এবং সময় উল্লেখ করা হয়েছে সকাল ৯ঘটিকা।তবে আমি ক্যালেন্ডার চেক দিয়ে দেখেছি সেদিন ছিল শনিবার সরকারি বন্ধ।বন্ধের দিন এসিল্যান্ড অফিসের পাশে যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না।আর সকাল নয়টায় তো আমি বাসায় ঘুমে ছিলাম। আমার মোবাইলের লোকেশন বের করলেও সেটা দেখা যাবে।তাহলে মামলা দেওয়া হল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার বাদী আওয়ামী নেত্রী নাছরিন ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক।কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করেছেন।তাছাড়া উনি গোপনে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।আমি এই বিষয় নিয়ে নিউজ করায় আমার বিরুদ্ধে উনি মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।তাছাড়া বর্তমান ওসির বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে আমি ওসি’র বক্তব্য চেয়েছি ।তাই ওসি সাহেব ক্ষিপ্ত হয়ে কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যে ভিত্তিহীন মামলাটি রেকর্ড করেছে।​এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী অ্যাডভোকেট নাছরীন আক্তার বলেন, আশুলিয়া থানায় আমি বেশ কয়েকটি মামলা করেছি,সম্প্রতি যে মামলা হয়েছে সে বিষয়ে যেখানে থেকে তথ্য পেয়েছেন সেখানে থেকে তথ্য নেন।এদিকে এ মামলার বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কথা হয় ইন্সপেক্টর (তদন্ত)মোঃ আজগর হোসেন এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলতে চাইনা।অফিসিয়াল ভাবে কোন অনুমতি নেই বলে জানান তিনি।ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল)মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,আমি নিজে তদন্তে করেছি।তথ্য কিছু টা সত্য মনে হয়েছে তাই মামলা নথিভুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।তবে নারী হিসেবে তদন্ত টা সেভাবে করা হয়েছে।আসামীরা সাংবাদিক কিনা জানি না।গত শনিবার(২ই নভেম্বর ২০২৫ইং)রাতে আশুলিয়া থানায় নাছরীন আক্তার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।আসামী করা হয় দুই সাংবাদিকদ’কে।
বিস্তারিত থাকছে ২য় পর্বে

বাংলাদেশ সময়:
০৪ই নভেম্বর ২০২৫ইং
এএসইএম