জেলা প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন নিজের ভিডিও করা নারী কেলেংকারীর একাদিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।এ ঘটনায় হাতিয়াতে মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়।সোমবার(১৬ই মার্চ ২০২৬ইং)দুপুর থেকে ভিডিওটি হাতিয়ায় অসংখ্য ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার হতে থাকে।ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়,হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আলাউদ্দিন হাতিয়ার বাইরে কোন এক হোটেলে এক যুবতীর সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে।এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে লেখালেখি শুরু হয়।গত মঙ্গলবার ১৭ই মার্চ উপজেলা পরিষদের মাসিক ও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে পর্যন্ত ইউএনও উপস্থিত থাকেননি।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কাজ আছে বলে একটা অযুহাত দেখিয়েসকালে তিনি হাতিয়া ত্যাগ করেন বলে জানান ইউএনও’রদপ্তরের কর্মীরা।যার কারণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সভাপতিত্বে যেনতেন ভাবে আধাঘন্টার মধ্যে সভার কার্যক্রম শেষ হয়।পরে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারী দের মধ্যে নানান নেতিবাচক গুঞ্জন শুরু হয়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক লোকমান হোসেন নামের একজনে তার আইডিতে লেখেন,এই ভিডিও দিয়ে ব্লাক মেইল করে ইউএনও কে জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগানো হয়।পরে ইউএনও কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় হাতিয়ার সরকারের কুচক্রীমহল এটি ভাইরাল করে দেয়।মেহেদী হাসান নামের একজনে লেখেন-হাতিয়া অবৈধ এমপি বানানোর প্রধান কারিগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিনের ভিডিও ভাইরাল।উল্লেখ্য,এর পূর্বে ইউএনও আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে হাতিয়ায় গত অর্থ বছরের টিআর-কাবিখা,পৌরসভা অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী সেলিম উদ্দিনের সাথে যোগসাজসে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে কোটি কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেবিশেষ করে চলতি অর্থবছরে হাট-ঘাট ইজারা ও টিসিবি এবং ইউরিয়া সারের ডিলার নিয়োগেও অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে ইউএনও'র বিরুদ্ধে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একাধিক ব্রিকফিল্ড মালিক জানান,যে ব্রিকফিল্ড থেকে মোটা অংকের টাকা দেওয়া না হয়- সে ব্রিকফিল্ড অবৈধ বলে জরিমানাসহ সিমনি ভেঙে দেয় ইউএনও আলাউদ্দিন ।আপত্তিকর ভিডিওর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।পরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সাথে যোগা যোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ সময়ঃ ১০:২৫ মিনিট
১৮ই মার্চ ২০২৬ইং
এইচএসইএম