, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে(ইউএনও)ফেরদৌস আরার মৃতু। আশুলিয়া অবৈধ দুটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়াসহ ৪টি অবৈধ ইটভাটা’কে ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা। সাভার বনগাঁও এলাকায় চাঁদা না পেয়ে কৃষকের সারেসাত হাজার গোলাপের চারা কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়(জাবি)সহকারী কম্পিউটার অপারেটর তসলিম অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত। সাভার আশুলিয়া নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কে তীব্র যানজট চরম দুর্ভোগে দূরপাল্লার যানবাহনসহ পথচারী। ঢাকা ১৯ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী দিলশানা পারুলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন। সাভার কমিউনিটি সেন্টারে ৪ মাসে ৬ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ১। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জড়িয়ে অবমাননাকর পোস্ট,থানায় অভিযোগ দায়ের। ইসলামী আদর্শ বিচ্যুতির অভিযোগে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ছাড়ল ইসলামী আন্দোলন,একক নির্বাচনের ঘোষণা। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)ফেরদৌস আরা আর নেই।

সাভার কমিউনিটি সেন্টারে ৪ মাসে ৬ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ১।

স্টাফ রিপোর্টার:
সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে ৪ মাসে ৬ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন জনকে গ্রেপ্তার করেছেন সাভার মডেল থানার পুলিশ।একের পর এক লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন পুরো এলাকা আতঙ্কে থমকে গেছে,তখনই তাৎক্ষণিক অভিযানে রহস্যের জট খুলে দিল সাভার মডেল থানায় পুলিশ সদস্যরা।থানার আশেপাশে ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ানো এক নীরব ভয়ানক ঘাতক-মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে’সাইকো সম্রাট-কে গত ১৮ই জানুয়ারী ২০২৬ইং রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।এছাড়া গত রোববার(১৮ই জানুয়ারী)দুপুরে পরিত্যক্ত ভবনটির একটি কক্ষে সদ্য পোড়া দুটির লাশ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ।বিকালে সিআইডির ফরেনসিক টিমের সদস্যরা এসে আলামত সংগ্রহের পর পুলিশ লাশ দুটো উদ্ধার করেন।এদিকে ঘটনাস্থল থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সাভার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে এই কমিউনিটি সেন্টারটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।তারপর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত পরে আছে।১৮ই জানুয়ারী রোববার দুপুরের দিকে এক শিক্ষার্থী ভবনের ভেতরে প্রবেশ করলে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে জরুরিসেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেন।পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেন সিআইডির ফরেনসিক টিম।তবে এবিষয়ে সিআইডি ক্রাইম সিনের এসআই কামরুল ইসলাম বলেন,একটি মৃতদেহ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।আরেকটি মৃতদেহ বোঝা যাচ্ছে যে ১৫বছরের কোনো মেয়ের।সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া লাশটির বয়স ২২থেকে ২৫ বছর হবে।সেটিও কোনো নারীর লাশ হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সাভার মডেল থানার এসআই মোঃ সাখাওয়াত ইমতিয়াজ বলেন,ধারণা করা হচ্ছে যাদের হত্যা করা হয়েছে তারাও মানসিক ভারসাম্যহীন।ভবনটির নিচেই তারা থাকতো।সাভার মডেল থানার পরিদর্শক(অপারেশন)হেলাল উদ্দিন বলেন,দুর্বৃত্তরা এমনভাবে মরদেহগুলো পুড়িয়েহত্যা করে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।একজনেরও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।এ নিয়ে গত ৪ মাসে এই ভবনটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি নারী ও পুরুষের ৫টি মৃতদেহ।তবে কোনো লাশেরই পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।রবিবার (১৮ই জানুয়ারি ২০২৬ইং)দুপুরে কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে নতুন করে জোড়া লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।প্রথম দেখায় যাকে দেখে কেউই সন্দেহ করবে না-সেই ভবঘুরে বেশে ঘুরে বেড়ানো সম্রাটই যে একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল হোতা,তা ছিল কল্পনারও বাইরে।কিন্তু স্থানীয় এক সাংবাদিকের আগের দিনের করা একটি ভিডিও ও হত্যাকাণ্ডের দিনের একটি সিসিটিভি ফুটেজই বদলে দেয় ঘটনার আসল মোড় ।সাইকো সম্রাট সাভার থানার আশপাশে বেশ কয়েক বছর ধরেঘোরাফেরা করেন।সে ভবঘুরে হলেও একজন নিরব ভয়ানক সিরিয়াল কিলার’হতে পারে।তবে তাকে গ্রেপ্তার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।ভবনের সামনে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তাকে আটক করা হয়েছে।এরআগে গত বছরের ১৯শে ডিসেম্বর২০২৫ইং দুপুরে পরিত্যক্ত এই ভবনের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।১১ই অক্টোবর রাতে সাভার মডেল মসজিদের পাশে থেকে উদ্ধার করা হয় অজ্ঞাত(৩০)এক নারীর অর্ধনগ্ন গলিত মরদেহ।এছাড়া ২৯শে অগাস্ট রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।পুলিশ সূত্র জানায়, একটি ভিডিও ও কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সন্দেহজনকভাবে এক ব্যক্তি কে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।তার চলাফেরা,সময় ও অবস্থান মিলিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওই ভবঘুরে ব্যক্তি সম্রাটের দিকেই।এরপরই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপতারকৃত ব্যক্তি মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে’সাইকো সম্রাট।পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একই জায়গায় রবিবারের দু’টি হত্যাকাণ্ড,পূর্বের পৃথক তিনটিসহ মোট ছয়টি হত্যা কাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সে।বর্তমানে তাকে থানায় রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার(১৯ জানুয়ারী)তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।এছাড়াও ১৯শে জানুয়ারী সকাল ১১ ঘটিকার দিকে সাভার মডেল থানায় এক প্রেস কনফারেন্স গণমাধ্যমের উদ্দেশ্য ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন,লাশ উদ্ধারের পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি।ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সন্দেহ ভাজনকে শনাক্ত করা হয় এবং দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে আটক করা সম্ভব হয়।তার মধ্যে যে এমন ভয়ংকর নৃশংসতা লুকিয়ে আছে,তা কেউ কল্পনাও করেনি।তবে বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়:
১৯শে জানুয়ারী ২০২৬ইং
ইওএমএসসি

জনপ্রিয়

নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে(ইউএনও)ফেরদৌস আরার মৃতু।

সাভার কমিউনিটি সেন্টারে ৪ মাসে ৬ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ১।

প্রকাশের সময় : ০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:
সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে ৪ মাসে ৬ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন জনকে গ্রেপ্তার করেছেন সাভার মডেল থানার পুলিশ।একের পর এক লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন পুরো এলাকা আতঙ্কে থমকে গেছে,তখনই তাৎক্ষণিক অভিযানে রহস্যের জট খুলে দিল সাভার মডেল থানায় পুলিশ সদস্যরা।থানার আশেপাশে ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ানো এক নীরব ভয়ানক ঘাতক-মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে’সাইকো সম্রাট-কে গত ১৮ই জানুয়ারী ২০২৬ইং রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।এছাড়া গত রোববার(১৮ই জানুয়ারী)দুপুরে পরিত্যক্ত ভবনটির একটি কক্ষে সদ্য পোড়া দুটির লাশ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ।বিকালে সিআইডির ফরেনসিক টিমের সদস্যরা এসে আলামত সংগ্রহের পর পুলিশ লাশ দুটো উদ্ধার করেন।এদিকে ঘটনাস্থল থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সাভার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে এই কমিউনিটি সেন্টারটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।তারপর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত পরে আছে।১৮ই জানুয়ারী রোববার দুপুরের দিকে এক শিক্ষার্থী ভবনের ভেতরে প্রবেশ করলে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে জরুরিসেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেন।পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেন সিআইডির ফরেনসিক টিম।তবে এবিষয়ে সিআইডি ক্রাইম সিনের এসআই কামরুল ইসলাম বলেন,একটি মৃতদেহ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।আরেকটি মৃতদেহ বোঝা যাচ্ছে যে ১৫বছরের কোনো মেয়ের।সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া লাশটির বয়স ২২থেকে ২৫ বছর হবে।সেটিও কোনো নারীর লাশ হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সাভার মডেল থানার এসআই মোঃ সাখাওয়াত ইমতিয়াজ বলেন,ধারণা করা হচ্ছে যাদের হত্যা করা হয়েছে তারাও মানসিক ভারসাম্যহীন।ভবনটির নিচেই তারা থাকতো।সাভার মডেল থানার পরিদর্শক(অপারেশন)হেলাল উদ্দিন বলেন,দুর্বৃত্তরা এমনভাবে মরদেহগুলো পুড়িয়েহত্যা করে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।একজনেরও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।এ নিয়ে গত ৪ মাসে এই ভবনটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি নারী ও পুরুষের ৫টি মৃতদেহ।তবে কোনো লাশেরই পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।রবিবার (১৮ই জানুয়ারি ২০২৬ইং)দুপুরে কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে নতুন করে জোড়া লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।প্রথম দেখায় যাকে দেখে কেউই সন্দেহ করবে না-সেই ভবঘুরে বেশে ঘুরে বেড়ানো সম্রাটই যে একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল হোতা,তা ছিল কল্পনারও বাইরে।কিন্তু স্থানীয় এক সাংবাদিকের আগের দিনের করা একটি ভিডিও ও হত্যাকাণ্ডের দিনের একটি সিসিটিভি ফুটেজই বদলে দেয় ঘটনার আসল মোড় ।সাইকো সম্রাট সাভার থানার আশপাশে বেশ কয়েক বছর ধরেঘোরাফেরা করেন।সে ভবঘুরে হলেও একজন নিরব ভয়ানক সিরিয়াল কিলার’হতে পারে।তবে তাকে গ্রেপ্তার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।ভবনের সামনে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তাকে আটক করা হয়েছে।এরআগে গত বছরের ১৯শে ডিসেম্বর২০২৫ইং দুপুরে পরিত্যক্ত এই ভবনের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।১১ই অক্টোবর রাতে সাভার মডেল মসজিদের পাশে থেকে উদ্ধার করা হয় অজ্ঞাত(৩০)এক নারীর অর্ধনগ্ন গলিত মরদেহ।এছাড়া ২৯শে অগাস্ট রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।পুলিশ সূত্র জানায়, একটি ভিডিও ও কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সন্দেহজনকভাবে এক ব্যক্তি কে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।তার চলাফেরা,সময় ও অবস্থান মিলিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওই ভবঘুরে ব্যক্তি সম্রাটের দিকেই।এরপরই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপতারকৃত ব্যক্তি মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে’সাইকো সম্রাট।পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একই জায়গায় রবিবারের দু’টি হত্যাকাণ্ড,পূর্বের পৃথক তিনটিসহ মোট ছয়টি হত্যা কাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সে।বর্তমানে তাকে থানায় রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার(১৯ জানুয়ারী)তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।এছাড়াও ১৯শে জানুয়ারী সকাল ১১ ঘটিকার দিকে সাভার মডেল থানায় এক প্রেস কনফারেন্স গণমাধ্যমের উদ্দেশ্য ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন,লাশ উদ্ধারের পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি।ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সন্দেহ ভাজনকে শনাক্ত করা হয় এবং দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে আটক করা সম্ভব হয়।তার মধ্যে যে এমন ভয়ংকর নৃশংসতা লুকিয়ে আছে,তা কেউ কল্পনাও করেনি।তবে বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়:
১৯শে জানুয়ারী ২০২৬ইং
ইওএমএসসি