, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় পরিবেশ দূষণ প্রশাসন’কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে সক্রিয় চারটি ভাটা। আর মাত্র একদিন পরেই দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে যেসব জমির মালিকানা! বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। নারায়ণগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীতে ফেরি থেকে মালবাহী ট্রাকসহ ৪ যানবাহন নদীতে,নিহত ৩,নিখোঁজ ১ ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়(জাবি)ছাত্রদলের শীতবস্ত্র বিতরণ। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভার স্পেশালাইজড হাসপাতালে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদযাপিত। রাজধানীর তেজগাঁও সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু:ফার্মগেটে সড়ক অবরোধ,তীব্র যানজট। পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের শুনানি ৫ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি। সাভার পিংক সিটির দখলদারত্বের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। আশুলিয়ায় জুট ব্যবসা না দেওয়ায় গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে অপহরণসহ হত্যার হুমকি।

আর মাত্র একদিন পরেই দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে যেসব জমির মালিকানা!

স্টাফ রিপোর্টারঃ
চলতি মাসে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে,যাতে দলিল থাকা সত্ত্বেও পাঁচ ধরনের জমির দখল বাতিল করা হবে।এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা।ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে প্রচলিত নীতি‘দলিল যার, ভূমি তার’সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কারণ বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও অনেক জমির দখল বা মালিকানা আইনিভাবে বৈধ নাও হতে পারে।সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে-দলিল যার,ভূমি তার’ এই ধারণা সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।কারণ অনেক ক্ষেত্রে দলিল বৈধ হলেও, মালিকানা ও দখলের আইনগত ভিত্তি নেই।যে পাঁচ ধরনের জমির দখল ছাড়তে হবে।যেসব সাব-কবলা দলিল উত্তরাধিকার বণ্টন না করে করাহয়েছে এবং কোনো ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা হয়েছে,সেগুলো বাতিলযোগ্য।বঞ্চিত উত্তরাধিকারী আদালতে মামলা করলে দখলদারের দলিল খারিজ হয়ে যেতে পারে।যেসব হেবা দলিল দাতার সম্পূর্ণ মালিকানায় ছিল না,সঠিক প্রক্রিয়ায় গ্রহণ না করা বা শর্ত ভঙ্গ করে করা হয়েছে,সেগুলোও বাতিলযোগ্য।বর্তমানে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জাল দলিল শনাক্ত করা সহজ হয়েছে।সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মাধ্যমে তৈরি দলিলও বাতিল হবে,যদি প্রকৃত মালিক যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করেন।সরকারি খাস খতিয়ানে থাকা জমি যদি কেউ নিজের নামে করে বিক্রি করে থাকে,তবে সেই দলিল বাতিল হবে এবং জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরে যাবে।প্রয়োজনে জেলা প্রশাসককে আইনি লড়াইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের পরিত্যক্ত অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিগত ভাবে দখলে রাখা যাবে না। এসিল্যান্ডের মাধ্যমে এসব জমি চিহ্নিত করে সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী,এসব জমির দখল দারিত্ব শুধুমাত্র আদালতের রায় ব্যতীত টিকিয়ে রাখা যাবে না।ফলে যারা বছরের পর বছর এসব জমি ভোগ করে আসছিল,তাদের এখনই আইনি প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—সরকারের নিজস্ব সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।এতে এক দিকে যেমন বৈধ জমির মালিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবেন,অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে মন্তব্য ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০২:১০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
এসজিওএম

আশুলিয়ায় পরিবেশ দূষণ প্রশাসন’কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে সক্রিয় চারটি ভাটা।

আর মাত্র একদিন পরেই দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে যেসব জমির মালিকানা!

প্রকাশের সময় : ০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ
চলতি মাসে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে,যাতে দলিল থাকা সত্ত্বেও পাঁচ ধরনের জমির দখল বাতিল করা হবে।এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা।ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে প্রচলিত নীতি‘দলিল যার, ভূমি তার’সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কারণ বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও অনেক জমির দখল বা মালিকানা আইনিভাবে বৈধ নাও হতে পারে।সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে-দলিল যার,ভূমি তার’ এই ধারণা সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।কারণ অনেক ক্ষেত্রে দলিল বৈধ হলেও, মালিকানা ও দখলের আইনগত ভিত্তি নেই।যে পাঁচ ধরনের জমির দখল ছাড়তে হবে।যেসব সাব-কবলা দলিল উত্তরাধিকার বণ্টন না করে করাহয়েছে এবং কোনো ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা হয়েছে,সেগুলো বাতিলযোগ্য।বঞ্চিত উত্তরাধিকারী আদালতে মামলা করলে দখলদারের দলিল খারিজ হয়ে যেতে পারে।যেসব হেবা দলিল দাতার সম্পূর্ণ মালিকানায় ছিল না,সঠিক প্রক্রিয়ায় গ্রহণ না করা বা শর্ত ভঙ্গ করে করা হয়েছে,সেগুলোও বাতিলযোগ্য।বর্তমানে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জাল দলিল শনাক্ত করা সহজ হয়েছে।সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মাধ্যমে তৈরি দলিলও বাতিল হবে,যদি প্রকৃত মালিক যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করেন।সরকারি খাস খতিয়ানে থাকা জমি যদি কেউ নিজের নামে করে বিক্রি করে থাকে,তবে সেই দলিল বাতিল হবে এবং জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরে যাবে।প্রয়োজনে জেলা প্রশাসককে আইনি লড়াইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের পরিত্যক্ত অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিগত ভাবে দখলে রাখা যাবে না। এসিল্যান্ডের মাধ্যমে এসব জমি চিহ্নিত করে সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী,এসব জমির দখল দারিত্ব শুধুমাত্র আদালতের রায় ব্যতীত টিকিয়ে রাখা যাবে না।ফলে যারা বছরের পর বছর এসব জমি ভোগ করে আসছিল,তাদের এখনই আইনি প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—সরকারের নিজস্ব সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।এতে এক দিকে যেমন বৈধ জমির মালিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবেন,অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে মন্তব্য ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০২:১০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
এসজিওএম