, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অটোমেশনের নামে সাভার পৌরসভায় অচলাবস্থা:উধাও পুরোনো তথ্য,বদলে যাচ্ছে লাইসেন্স নম্বর। সরকারি জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান,অপপ্রচারের অভিযোগে চাপে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল। জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালো আশুলিয়া মডেল প্রেসক্লাব সদস্যবৃন্দ। সাভারে সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ এনসিপির বিক্ষোভ,থানা ঘেরাও। নারী সহকর্মীদের অভিযোগের‘খেসারত’সাভার পৌরসভায় ১৩ টিকাদান কর্মীর একদিনের বেতন কর্তন,পর্ব-১ হাইকোর্টের রায়ে সিংগাইরের আট ইউপি চেয়ারম্যান ফিরছেন দায়িত্বে। আমিনবাজার থেকে বলিয়ারপুর পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান;ফেন্সিং,বৃক্ষরোপণ ও কঠোর নজরদারির ঘোষণা। জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য। সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুমের ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার। সাভারে মাদক সম্রাট শামীমের স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ,বাড়ি দখলের চেষ্টায় আহত ৫

আর মাত্র একদিন পরেই দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে যেসব জমির মালিকানা!

স্টাফ রিপোর্টারঃ
চলতি মাসে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে,যাতে দলিল থাকা সত্ত্বেও পাঁচ ধরনের জমির দখল বাতিল করা হবে।এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা।ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে প্রচলিত নীতি‘দলিল যার, ভূমি তার’সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কারণ বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও অনেক জমির দখল বা মালিকানা আইনিভাবে বৈধ নাও হতে পারে।সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে-দলিল যার,ভূমি তার’ এই ধারণা সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।কারণ অনেক ক্ষেত্রে দলিল বৈধ হলেও, মালিকানা ও দখলের আইনগত ভিত্তি নেই।যে পাঁচ ধরনের জমির দখল ছাড়তে হবে।যেসব সাব-কবলা দলিল উত্তরাধিকার বণ্টন না করে করাহয়েছে এবং কোনো ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা হয়েছে,সেগুলো বাতিলযোগ্য।বঞ্চিত উত্তরাধিকারী আদালতে মামলা করলে দখলদারের দলিল খারিজ হয়ে যেতে পারে।যেসব হেবা দলিল দাতার সম্পূর্ণ মালিকানায় ছিল না,সঠিক প্রক্রিয়ায় গ্রহণ না করা বা শর্ত ভঙ্গ করে করা হয়েছে,সেগুলোও বাতিলযোগ্য।বর্তমানে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জাল দলিল শনাক্ত করা সহজ হয়েছে।সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মাধ্যমে তৈরি দলিলও বাতিল হবে,যদি প্রকৃত মালিক যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করেন।সরকারি খাস খতিয়ানে থাকা জমি যদি কেউ নিজের নামে করে বিক্রি করে থাকে,তবে সেই দলিল বাতিল হবে এবং জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরে যাবে।প্রয়োজনে জেলা প্রশাসককে আইনি লড়াইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের পরিত্যক্ত অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিগত ভাবে দখলে রাখা যাবে না। এসিল্যান্ডের মাধ্যমে এসব জমি চিহ্নিত করে সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী,এসব জমির দখল দারিত্ব শুধুমাত্র আদালতের রায় ব্যতীত টিকিয়ে রাখা যাবে না।ফলে যারা বছরের পর বছর এসব জমি ভোগ করে আসছিল,তাদের এখনই আইনি প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—সরকারের নিজস্ব সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।এতে এক দিকে যেমন বৈধ জমির মালিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবেন,অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে মন্তব্য ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০২:১০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
এসজিওএম

জনপ্রিয়

অটোমেশনের নামে সাভার পৌরসভায় অচলাবস্থা:উধাও পুরোনো তথ্য,বদলে যাচ্ছে লাইসেন্স নম্বর।

আর মাত্র একদিন পরেই দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে যেসব জমির মালিকানা!

প্রকাশের সময় : ০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ
চলতি মাসে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে,যাতে দলিল থাকা সত্ত্বেও পাঁচ ধরনের জমির দখল বাতিল করা হবে।এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা।ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে প্রচলিত নীতি‘দলিল যার, ভূমি তার’সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কারণ বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও অনেক জমির দখল বা মালিকানা আইনিভাবে বৈধ নাও হতে পারে।সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে-দলিল যার,ভূমি তার’ এই ধারণা সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।কারণ অনেক ক্ষেত্রে দলিল বৈধ হলেও, মালিকানা ও দখলের আইনগত ভিত্তি নেই।যে পাঁচ ধরনের জমির দখল ছাড়তে হবে।যেসব সাব-কবলা দলিল উত্তরাধিকার বণ্টন না করে করাহয়েছে এবং কোনো ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা হয়েছে,সেগুলো বাতিলযোগ্য।বঞ্চিত উত্তরাধিকারী আদালতে মামলা করলে দখলদারের দলিল খারিজ হয়ে যেতে পারে।যেসব হেবা দলিল দাতার সম্পূর্ণ মালিকানায় ছিল না,সঠিক প্রক্রিয়ায় গ্রহণ না করা বা শর্ত ভঙ্গ করে করা হয়েছে,সেগুলোও বাতিলযোগ্য।বর্তমানে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জাল দলিল শনাক্ত করা সহজ হয়েছে।সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মাধ্যমে তৈরি দলিলও বাতিল হবে,যদি প্রকৃত মালিক যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করেন।সরকারি খাস খতিয়ানে থাকা জমি যদি কেউ নিজের নামে করে বিক্রি করে থাকে,তবে সেই দলিল বাতিল হবে এবং জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরে যাবে।প্রয়োজনে জেলা প্রশাসককে আইনি লড়াইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের পরিত্যক্ত অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিগত ভাবে দখলে রাখা যাবে না। এসিল্যান্ডের মাধ্যমে এসব জমি চিহ্নিত করে সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী,এসব জমির দখল দারিত্ব শুধুমাত্র আদালতের রায় ব্যতীত টিকিয়ে রাখা যাবে না।ফলে যারা বছরের পর বছর এসব জমি ভোগ করে আসছিল,তাদের এখনই আইনি প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—সরকারের নিজস্ব সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।এতে এক দিকে যেমন বৈধ জমির মালিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবেন,অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে মন্তব্য ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০২:১০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
এসজিওএম