, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য। সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুমের ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার। সাভারে মাদক সম্রাট শামীমের স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ,বাড়ি দখলের চেষ্টায় আহত ৫ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আশুলিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমলো,জুলাই থেকে নতুন মূল্য কার্যকর। বহু নাটকীয়তার পর ডিবির হাতে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা‘ফেন্সি সামির’গ্রেপ্তার। আশুলিয়ায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,প্রাইভেটকার জব্দ। আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে ২০২৮ইং সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে:প্রতিমন্ত্রী। সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্সের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য।

সাঈফ মাহমুদ(সাভার)
জুলাইয়ের গণহত্যা,খুন,গুমসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাভারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য,ঢাকা জেলা।শনিবার(৪ই জুলাই)বিকেল ৫টায় সাভার মডেল মসজিদ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন।তিনি বক্তব্যে জুলাইয়ের গণহত্যা,খুন,গুম এবং অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের দাবি জানান।একই সঙ্গে গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন।তিনি দাবি করেন, সংসদে জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।জবাবে তিনি আরও দাবি করেন,১৯৭১ইং সালে জামায়াতের কোনো নেতা কারাবন্দি বা বিচারের মুখোমুখি হননি।এ সময় তিনি আরও একটি বিতর্কিত দাবি করে বলেন,মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা ১৯৭১ইং সালে রাজাকার ছিলেন,বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন এবং কারাভোগ করেছেন।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যদি আবারও জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়,তাহলে তারা বলবেন—প্রথমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবাকে কবর থেকে উঠে এসে ক্ষমা চাইতে হবে।তবে এসব বক্তব্যের পক্ষে সমাবেশে কোনো প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি এবং এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বা বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা জুলাইয়ের গণহত্যা, খুন,গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানান। তারা বলেন,গণভোটে জনগণের দেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না হলে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৮:০০ মিনিট
৪ই জুলাই ২০২৬ইং
এসজেওইওইচ

জনপ্রিয়

জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য।

জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য।

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

সাঈফ মাহমুদ(সাভার)
জুলাইয়ের গণহত্যা,খুন,গুমসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাভারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য,ঢাকা জেলা।শনিবার(৪ই জুলাই)বিকেল ৫টায় সাভার মডেল মসজিদ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন।তিনি বক্তব্যে জুলাইয়ের গণহত্যা,খুন,গুম এবং অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের দাবি জানান।একই সঙ্গে গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন।তিনি দাবি করেন, সংসদে জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।জবাবে তিনি আরও দাবি করেন,১৯৭১ইং সালে জামায়াতের কোনো নেতা কারাবন্দি বা বিচারের মুখোমুখি হননি।এ সময় তিনি আরও একটি বিতর্কিত দাবি করে বলেন,মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা ১৯৭১ইং সালে রাজাকার ছিলেন,বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন এবং কারাভোগ করেছেন।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যদি আবারও জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়,তাহলে তারা বলবেন—প্রথমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবাকে কবর থেকে উঠে এসে ক্ষমা চাইতে হবে।তবে এসব বক্তব্যের পক্ষে সমাবেশে কোনো প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি এবং এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বা বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা জুলাইয়ের গণহত্যা, খুন,গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানান। তারা বলেন,গণভোটে জনগণের দেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না হলে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৮:০০ মিনিট
৪ই জুলাই ২০২৬ইং
এসজেওইওইচ