, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো আসামি কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে গাঁজাবাহী মাইক্রোবাস,উদ্ধার ৯ বস্তা গাঁজা ইয়ারপুরের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর সাভারে এক নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার। সাভার সুপার মেডিকেল হাসপাতালে একের পর এক ভুল চিকিৎসার অভিযোগ স্বজনদের। সাভারে পচা মাংস বিক্রির দায়ে জাহাঙ্গীর গোশত বিতানকে লাখ টাকা জরিমানা। সাভারে হেরার আলো মডেল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আটক,শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ। কাউন্দিয়ায় আতিকুর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। ২০ বছরে দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি,ভঙ্গুর অর্থনীতির সময় সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এয়ারটেলের নাম বদলাচ্ছে,নতুন পরিচয়‘সার্কেল’।

বহু নাটকীয়তার পর ডিবির হাতে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা‘ফেন্সি সামির’গ্রেপ্তার।

সাভার প্রতিনিধি।
সাভার বহু নাটকীয়তার পর অবশেষে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি)জালে ধরা পড়েছেন সাভারের আলোচিত দুই মামলার প্রধান আসামি ও বহিষ্কৃত সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে‘ফেন্সি সামির’(৩৫)।দীর্ঘ নয় দিন আত্মগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার(২ জুলাই)দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর সদরঘাট জংশন রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ সাইদুল ইসলাম।তিনি জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সামিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ জানায়,গ্রেপ্তার মাহাবুব হোসেন সামির সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে।তিনি একাধিক হত্যা,মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড,কিশোর গ্যাং পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলার আসামি।সম্প্রতি সাভারে দায়ের হওয়া দুটি আলোচিত মামলার প্রধান আসামি হিসেবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,গত ১২ই জুন সাভার মডেল থানায় লাবনী বেগম নামে এক নারী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে বলা হয়,তার খালাতো ভাই শামীম রেজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সামির।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার নেতৃত্বে সশস্ত্র সহযোগীরা একাধিক দফায় হামলা,ভাঙচুর ,লুটপাট ও মারধরের ঘটনা ঘটায়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,গত ২৪শে মে রাজাশন আমতলা এলাকায় শামীম রেজার বাড়ি ও গ্যারেজে হামলা চালিয়ে নগদ ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা,ক্যাশবক্স থেকে আরও ৯০ হাজার টাকা এবং ১২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা লুট করা হয়।পরে ২৭শে মে আরও ছয়টি অটোরিকশা নিয়ে যাওয়া হয়।এছাড়া ১২ই জুন আরও পাঁচটি অটোরিকশা,১৬ই জুন প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ব্যাটারি এবং ৬ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগে বলা হয়,১২ই জুন রাতে শামীম রেজার বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের মারধর,নারীদের লাঞ্ছিত করা,এক শিশুকে আছাড় দিয়ে আহত করা,স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনাও ঘটে।এতে পরিবারের একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হন।পুলিশ জানায়,গ্রেপ্তার সামিরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৬:০০ মিনিট
২ই জুলাই ২০২৬ইং
ইউএইচওএম

জনপ্রিয়

যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো আসামি কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার।

বহু নাটকীয়তার পর ডিবির হাতে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা‘ফেন্সি সামির’গ্রেপ্তার।

প্রকাশের সময় : ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

সাভার প্রতিনিধি।
সাভার বহু নাটকীয়তার পর অবশেষে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি)জালে ধরা পড়েছেন সাভারের আলোচিত দুই মামলার প্রধান আসামি ও বহিষ্কৃত সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে‘ফেন্সি সামির’(৩৫)।দীর্ঘ নয় দিন আত্মগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার(২ জুলাই)দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর সদরঘাট জংশন রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ সাইদুল ইসলাম।তিনি জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সামিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ জানায়,গ্রেপ্তার মাহাবুব হোসেন সামির সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে।তিনি একাধিক হত্যা,মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড,কিশোর গ্যাং পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলার আসামি।সম্প্রতি সাভারে দায়ের হওয়া দুটি আলোচিত মামলার প্রধান আসামি হিসেবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,গত ১২ই জুন সাভার মডেল থানায় লাবনী বেগম নামে এক নারী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে বলা হয়,তার খালাতো ভাই শামীম রেজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সামির।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার নেতৃত্বে সশস্ত্র সহযোগীরা একাধিক দফায় হামলা,ভাঙচুর ,লুটপাট ও মারধরের ঘটনা ঘটায়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,গত ২৪শে মে রাজাশন আমতলা এলাকায় শামীম রেজার বাড়ি ও গ্যারেজে হামলা চালিয়ে নগদ ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা,ক্যাশবক্স থেকে আরও ৯০ হাজার টাকা এবং ১২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা লুট করা হয়।পরে ২৭শে মে আরও ছয়টি অটোরিকশা নিয়ে যাওয়া হয়।এছাড়া ১২ই জুন আরও পাঁচটি অটোরিকশা,১৬ই জুন প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ব্যাটারি এবং ৬ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগে বলা হয়,১২ই জুন রাতে শামীম রেজার বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের মারধর,নারীদের লাঞ্ছিত করা,এক শিশুকে আছাড় দিয়ে আহত করা,স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনাও ঘটে।এতে পরিবারের একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হন।পুলিশ জানায়,গ্রেপ্তার সামিরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৬:০০ মিনিট
২ই জুলাই ২০২৬ইং
ইউএইচওএম