, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে গাঁজাবাহী মাইক্রোবাস,উদ্ধার ৯ বস্তা গাঁজা ইয়ারপুরের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর সাভারে এক নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার। সাভার সুপার মেডিকেল হাসপাতালে একের পর এক ভুল চিকিৎসার অভিযোগ স্বজনদের। সাভারে পচা মাংস বিক্রির দায়ে জাহাঙ্গীর গোশত বিতানকে লাখ টাকা জরিমানা। সাভারে হেরার আলো মডেল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আটক,শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ। কাউন্দিয়ায় আতিকুর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। ২০ বছরে দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি,ভঙ্গুর অর্থনীতির সময় সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এয়ারটেলের নাম বদলাচ্ছে,নতুন পরিচয়‘সার্কেল’। সাভার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মানবিক উদ্যোগ।
উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও পরিকল্পিত নগরায়ণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয়

ইয়ারপুরের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর

শাহাদাৎ হোসেন সরকার:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছেন জামগড়া মীর বাড়ির কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর।শিক্ষিত,আইনজীবী ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরকে ঘিরে স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তাঁর অনুসারীদের দাবি,দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং সামাজিক ও উন্নয়ন মূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি নিষ্কাশন ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করেছেন আজিজুল হক মীর।নিজ অর্থায়নে এসব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।দ্রুত নগরায়ণের কারণে ইয়ারপুর ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনবসতি। একই সঙ্গে বাড়ছে নাগরিক সুবিধার চাহিদা। পানি নিষ্কাশন,রাস্তাঘাট,শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা ও পরিকল্পিত অবকাঠামো—এসব বিষয়কে সামনে রেখে ইউনিয়নের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলছেন এই চেয়ারম্যান প্রার্থী।নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর বলেন,আমি মানুষ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।এলাকার উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য।তিনি বলেন,নির্বাচিত হলে ইয়ারপুর ইউনিয়নের মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশেষ করে পানি নিষ্কাশন,রাস্তাঘাটের উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান তিনি।স্থানীয়দের একটি অংশের মতে,জন প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়,প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা,ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি,মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের বাস্তব পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ।এসব বিবেচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।
তবে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণ এবং নির্বাচনী মাঠে অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থানও শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে ইয়ারপুর ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরের প্রত্যাশা,ইয়ারপুরবাসী উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও জনকল্যাণের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে মূল্যায়ন করবেন।তাঁর লক্ষ্য—মানুষের পাশে থেকে ইয়ারপুর ইউনিয়নকে একটি সুন্দর,আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৫:১০ মিনিট
২৮শে আগস্ট ২০২৬ইং
এনইএফএস

জনপ্রিয়

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে গাঁজাবাহী মাইক্রোবাস,উদ্ধার ৯ বস্তা গাঁজা

উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও পরিকল্পিত নগরায়ণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয়

ইয়ারপুরের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর

প্রকাশের সময় : ১৯ ঘন্টা আগে

শাহাদাৎ হোসেন সরকার:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছেন জামগড়া মীর বাড়ির কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর।শিক্ষিত,আইনজীবী ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরকে ঘিরে স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তাঁর অনুসারীদের দাবি,দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং সামাজিক ও উন্নয়ন মূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি নিষ্কাশন ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করেছেন আজিজুল হক মীর।নিজ অর্থায়নে এসব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।দ্রুত নগরায়ণের কারণে ইয়ারপুর ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনবসতি। একই সঙ্গে বাড়ছে নাগরিক সুবিধার চাহিদা। পানি নিষ্কাশন,রাস্তাঘাট,শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা ও পরিকল্পিত অবকাঠামো—এসব বিষয়কে সামনে রেখে ইউনিয়নের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলছেন এই চেয়ারম্যান প্রার্থী।নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর বলেন,আমি মানুষ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।এলাকার উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য।তিনি বলেন,নির্বাচিত হলে ইয়ারপুর ইউনিয়নের মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশেষ করে পানি নিষ্কাশন,রাস্তাঘাটের উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে চান তিনি।স্থানীয়দের একটি অংশের মতে,জন প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়,প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা,ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি,মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের বাস্তব পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ।এসব বিবেচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।
তবে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণ এবং নির্বাচনী মাঠে অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থানও শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে ইয়ারপুর ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীরের প্রত্যাশা,ইয়ারপুরবাসী উন্নয়ন,নাগরিক সেবা ও জনকল্যাণের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে মূল্যায়ন করবেন।তাঁর লক্ষ্য—মানুষের পাশে থেকে ইয়ারপুর ইউনিয়নকে একটি সুন্দর,আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৫:১০ মিনিট
২৮শে আগস্ট ২০২৬ইং
এনইএফএস