, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভূমি সেবায় আস্থার স্বীকৃতি,আশুলিয়ায় সেরা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। ইয়ারপুর ইউপি প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল নিষেধ! সাভারে সবুজ আন্দোলনের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা নিজের দেড় বছরের ছেলেকে বিক্রি,আইফোন কেনার অভিযোগে বাবা আটক। একযোগে ২৭ উপসচিবকে ডিসি অফিসে উপপরিচালক নিয়োগ। যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো আসামি কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে গাঁজাবাহী মাইক্রোবাস,উদ্ধার ৯ বস্তা গাঁজা ইয়ারপুরের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ব্যারিস্টার আজিজুল হক মীর সাভারে এক নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার। সাভার সুপার মেডিকেল হাসপাতালে একের পর এক ভুল চিকিৎসার অভিযোগ স্বজনদের।
সরকারি দপ্তরে‘নতুন নিয়ম’—আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন,স্বচ্ছতা নিয়েও আলোচনা

ইয়ারপুর ইউপি প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল নিষেধ!

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।সরকারি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের প্রশাসকের কক্ষে প্রবেশের সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।একটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে একজন নাগরিক মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না—এমন বিধি নিষেধের আইনগত ভিত্তি কী,সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো নির্দেশনা থাকতেই পারে।তবে সেই নির্দেশনা লিখিত কি না এবং কোন সরকারি বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে এটি কার্যকর হয়েছে,তা স্পষ্ট নয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন কেন তৈরি হলো? কক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নথি,সরকারি তথ্য বা সংবেদনশীল কোনো কার্যক্রম থাকলে নিরাপত্তার নির্দিষ্ট কারণ জানানো যেতে পারে।কিন্তু সাধারণ নাগরিকের সেবা গ্রহণের সময় ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখাই যদি নিষিদ্ধ হয়,তাহলে এর পেছনের নীতিগত ও প্রশাসনিক কারণ জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কারণ,বর্তমানে মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়;সরকারি সেবা নিতে আসা মানুষের কাছে এটি প্রয়োজনীয় তথ্য,কাগজপত্র, যোগাযোগের নম্বর এবং ডিজিটাল নথি সংরক্ষণের মাধ্যমও।এদিকে সরকারি দপ্তরে নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।ফলে কোনো নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমন বিধিনিষেধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তাদের প্রশ্ন—মোবাইল নিষেধাজ্ঞাটি কি প্রশাসকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত,নাকি উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোনো নির্দেশনা?,যদি লিখিত নির্দেশনা থাকে,তাহলে সেটি কোথায়?,আর যদি এটি কেবল মৌখিক নির্দেশ হয়,তাহলে তার প্রশাসনিক ভিত্তি কী—এমন প্রশ্নও উঠছে।এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন প্রশাসকের কক্ষে নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজন থাকলে সেটি অবশ্যই মানা উচিত।কিন্তু নিয়মটি যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়,তাহলে পরিষ্কার ভাবে নোটিশ দিয়ে কারণ ও বিধি উল্লেখ করা যেতে পারে।একই সঙ্গে অভিযোগটি বাস্তবতা যাচাই করে দেখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।কারণ, একটি সরকারি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে নাগরিকের প্রবেশাধিকার ও সেখানে কার্যকর কোনো বিধিনিষেধ—দুটিই প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তবে নাগরিকদের প্রত্যাশা,বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন স্পষ্ট অবস্থান জানাবে।কারণ প্রশ্নটি শুধু একটি কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে কি না—এতটুকুতে সীমাবদ্ধ নয়;এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা,প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং নাগরিকের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের আচরণের প্রশ্ন।তাছাড়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে‘মোবাইল নিষেধ’নির্দেশের পেছনে আসলে কী কারণ,আর এর অনুমোদনই বা কোথা থেকে এসেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৮:৫০ মিনিট
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
এসইওকে

ভূমি সেবায় আস্থার স্বীকৃতি,আশুলিয়ায় সেরা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

সরকারি দপ্তরে‘নতুন নিয়ম’—আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন,স্বচ্ছতা নিয়েও আলোচনা

ইয়ারপুর ইউপি প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল নিষেধ!

প্রকাশের সময় : ১৭ ঘন্টা আগে

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।সরকারি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের প্রশাসকের কক্ষে প্রবেশের সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।একটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে একজন নাগরিক মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না—এমন বিধি নিষেধের আইনগত ভিত্তি কী,সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো নির্দেশনা থাকতেই পারে।তবে সেই নির্দেশনা লিখিত কি না এবং কোন সরকারি বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে এটি কার্যকর হয়েছে,তা স্পষ্ট নয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন কেন তৈরি হলো? কক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নথি,সরকারি তথ্য বা সংবেদনশীল কোনো কার্যক্রম থাকলে নিরাপত্তার নির্দিষ্ট কারণ জানানো যেতে পারে।কিন্তু সাধারণ নাগরিকের সেবা গ্রহণের সময় ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখাই যদি নিষিদ্ধ হয়,তাহলে এর পেছনের নীতিগত ও প্রশাসনিক কারণ জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কারণ,বর্তমানে মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়;সরকারি সেবা নিতে আসা মানুষের কাছে এটি প্রয়োজনীয় তথ্য,কাগজপত্র, যোগাযোগের নম্বর এবং ডিজিটাল নথি সংরক্ষণের মাধ্যমও।এদিকে সরকারি দপ্তরে নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।ফলে কোনো নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমন বিধিনিষেধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তাদের প্রশ্ন—মোবাইল নিষেধাজ্ঞাটি কি প্রশাসকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত,নাকি উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোনো নির্দেশনা?,যদি লিখিত নির্দেশনা থাকে,তাহলে সেটি কোথায়?,আর যদি এটি কেবল মৌখিক নির্দেশ হয়,তাহলে তার প্রশাসনিক ভিত্তি কী—এমন প্রশ্নও উঠছে।এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন প্রশাসকের কক্ষে নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজন থাকলে সেটি অবশ্যই মানা উচিত।কিন্তু নিয়মটি যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়,তাহলে পরিষ্কার ভাবে নোটিশ দিয়ে কারণ ও বিধি উল্লেখ করা যেতে পারে।একই সঙ্গে অভিযোগটি বাস্তবতা যাচাই করে দেখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।কারণ, একটি সরকারি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে নাগরিকের প্রবেশাধিকার ও সেখানে কার্যকর কোনো বিধিনিষেধ—দুটিই প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তবে নাগরিকদের প্রত্যাশা,বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন স্পষ্ট অবস্থান জানাবে।কারণ প্রশ্নটি শুধু একটি কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে কি না—এতটুকুতে সীমাবদ্ধ নয়;এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা,প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং নাগরিকের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের আচরণের প্রশ্ন।তাছাড়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে‘মোবাইল নিষেধ’নির্দেশের পেছনে আসলে কী কারণ,আর এর অনুমোদনই বা কোথা থেকে এসেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৮:৫০ মিনিট
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
এসইওকে