, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিক অসন্তোষ নাকি পরিকল্পিত নাশকতা?,হুমকিতে দেশের পোশাকশিল্প। শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার চেষ্টা!সতর্ক থাকার নির্দেশ টুকুর সাভারে শ্রমিক-পুলিশ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ,ওসিসহ আহত ৬,পুলিশের গাড়িতে আগুন। গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে প্রাণ গেল তৌফিকের,ছুটি অর্ধশতাধিক কারখানায়। বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যেই নতুন মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা। সাভারে মেডিকেল অফিসারকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি,ছাত্রশক্তির কঠোর হুঁশিয়ারি। জুলাই আন্দোলনে হামলার মামলায় ১৩ নম্বর আসামি পৌর মেডিকেল অফিসার,বহাল চাকরিতে!পর্ব-১ অপরাধ দমনে পেশাদারত্ব ও সাহসিকতা,সাভার মডেল থানায় ওসি সাইফুল আলম। সাভারে মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ,স্ত্রীর ভূমিকাও তদন্তের দাবি। হাসপাতালে সুস্থ শিশু,অপারেশন কক্ষে মৃত্যু—সাভারে ৯ বছরের আবরাহামকে ঘিরে প্রশ্ন।
সরকারি দপ্তরে‘নতুন নিয়ম’—আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন,স্বচ্ছতা নিয়েও আলোচনা

ইয়ারপুর ইউপি প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল নিষেধ!

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।সরকারি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের প্রশাসকের কক্ষে প্রবেশের সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।একটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে একজন নাগরিক মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না—এমন বিধি নিষেধের আইনগত ভিত্তি কী,সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো নির্দেশনা থাকতেই পারে।তবে সেই নির্দেশনা লিখিত কি না এবং কোন সরকারি বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে এটি কার্যকর হয়েছে,তা স্পষ্ট নয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন কেন তৈরি হলো? কক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নথি,সরকারি তথ্য বা সংবেদনশীল কোনো কার্যক্রম থাকলে নিরাপত্তার নির্দিষ্ট কারণ জানানো যেতে পারে।কিন্তু সাধারণ নাগরিকের সেবা গ্রহণের সময় ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখাই যদি নিষিদ্ধ হয়,তাহলে এর পেছনের নীতিগত ও প্রশাসনিক কারণ জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কারণ,বর্তমানে মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়;সরকারি সেবা নিতে আসা মানুষের কাছে এটি প্রয়োজনীয় তথ্য,কাগজপত্র, যোগাযোগের নম্বর এবং ডিজিটাল নথি সংরক্ষণের মাধ্যমও।এদিকে সরকারি দপ্তরে নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।ফলে কোনো নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমন বিধিনিষেধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তাদের প্রশ্ন—মোবাইল নিষেধাজ্ঞাটি কি প্রশাসকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত,নাকি উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোনো নির্দেশনা?,যদি লিখিত নির্দেশনা থাকে,তাহলে সেটি কোথায়?,আর যদি এটি কেবল মৌখিক নির্দেশ হয়,তাহলে তার প্রশাসনিক ভিত্তি কী—এমন প্রশ্নও উঠছে।এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন প্রশাসকের কক্ষে নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজন থাকলে সেটি অবশ্যই মানা উচিত।কিন্তু নিয়মটি যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়,তাহলে পরিষ্কার ভাবে নোটিশ দিয়ে কারণ ও বিধি উল্লেখ করা যেতে পারে।একই সঙ্গে অভিযোগটি বাস্তবতা যাচাই করে দেখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।কারণ, একটি সরকারি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে নাগরিকের প্রবেশাধিকার ও সেখানে কার্যকর কোনো বিধিনিষেধ—দুটিই প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তবে নাগরিকদের প্রত্যাশা,বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন স্পষ্ট অবস্থান জানাবে।কারণ প্রশ্নটি শুধু একটি কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে কি না—এতটুকুতে সীমাবদ্ধ নয়;এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা,প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং নাগরিকের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের আচরণের প্রশ্ন।তাছাড়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে‘মোবাইল নিষেধ’নির্দেশের পেছনে আসলে কী কারণ,আর এর অনুমোদনই বা কোথা থেকে এসেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৮:৫০ মিনিট
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
এসইওকে

শ্রমিক অসন্তোষ নাকি পরিকল্পিত নাশকতা?,হুমকিতে দেশের পোশাকশিল্প।

সরকারি দপ্তরে‘নতুন নিয়ম’—আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন,স্বচ্ছতা নিয়েও আলোচনা

ইয়ারপুর ইউপি প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল নিষেধ!

প্রকাশের সময় : ০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।সরকারি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের প্রশাসকের কক্ষে প্রবেশের সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।একটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে একজন নাগরিক মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না—এমন বিধি নিষেধের আইনগত ভিত্তি কী,সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো নির্দেশনা থাকতেই পারে।তবে সেই নির্দেশনা লিখিত কি না এবং কোন সরকারি বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে এটি কার্যকর হয়েছে,তা স্পষ্ট নয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসকের কক্ষে মোবাইল ফোন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন কেন তৈরি হলো? কক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নথি,সরকারি তথ্য বা সংবেদনশীল কোনো কার্যক্রম থাকলে নিরাপত্তার নির্দিষ্ট কারণ জানানো যেতে পারে।কিন্তু সাধারণ নাগরিকের সেবা গ্রহণের সময় ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখাই যদি নিষিদ্ধ হয়,তাহলে এর পেছনের নীতিগত ও প্রশাসনিক কারণ জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কারণ,বর্তমানে মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়;সরকারি সেবা নিতে আসা মানুষের কাছে এটি প্রয়োজনীয় তথ্য,কাগজপত্র, যোগাযোগের নম্বর এবং ডিজিটাল নথি সংরক্ষণের মাধ্যমও।এদিকে সরকারি দপ্তরে নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।ফলে কোনো নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমন বিধিনিষেধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তাদের প্রশ্ন—মোবাইল নিষেধাজ্ঞাটি কি প্রশাসকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত,নাকি উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোনো নির্দেশনা?,যদি লিখিত নির্দেশনা থাকে,তাহলে সেটি কোথায়?,আর যদি এটি কেবল মৌখিক নির্দেশ হয়,তাহলে তার প্রশাসনিক ভিত্তি কী—এমন প্রশ্নও উঠছে।এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন প্রশাসকের কক্ষে নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজন থাকলে সেটি অবশ্যই মানা উচিত।কিন্তু নিয়মটি যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়,তাহলে পরিষ্কার ভাবে নোটিশ দিয়ে কারণ ও বিধি উল্লেখ করা যেতে পারে।একই সঙ্গে অভিযোগটি বাস্তবতা যাচাই করে দেখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।কারণ, একটি সরকারি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে নাগরিকের প্রবেশাধিকার ও সেখানে কার্যকর কোনো বিধিনিষেধ—দুটিই প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তবে নাগরিকদের প্রত্যাশা,বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন স্পষ্ট অবস্থান জানাবে।কারণ প্রশ্নটি শুধু একটি কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে কি না—এতটুকুতে সীমাবদ্ধ নয়;এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা,প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং নাগরিকের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের আচরণের প্রশ্ন।তাছাড়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কক্ষে‘মোবাইল নিষেধ’নির্দেশের পেছনে আসলে কী কারণ,আর এর অনুমোদনই বা কোথা থেকে এসেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৮:৫০ মিনিট
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
এসইওকে