
সাঈফ মাহমুদ(সাভার):
সাভারে সাত বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অভিযোগটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশের দাবি, শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানো ও হত্যার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।বুধবার ভোররাতে ভোলা,বরিশাল,সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে তাদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকার মারকাজুল উলুম আশ শরইয়্যাহ মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা জাবের হোসেন, তাহমিদ হাসান রাফি,সাজেদুল ইসলাম সায়েম,মোহাম্মদ বিন মুক্তার ও কামরুল ইসলাম।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,সাত বছরের ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসাটিতে পড়াশোনা করত।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ছয় মাস ধরে শিশুটিকে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক জাবের হোসেনসহ কয়েকজন যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন।ঘটনার বিষয়ে পরে পরিবার জানতে পারে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এরপর গত ২৬শে আগস্ট সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।মামলা হওয়ার পরও অভিযুক্তদের কেউ কেউ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন বলে পুলিশের দাবি।পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশিত হলে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে একাধিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।ভোররাতে পরিচালিত এসব অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ঈশান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।তিনি জানান,মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এছাড়াও গ্রেপ্তার পাঁচজনকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলবে।তবে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।ফলে অভিযোগ গুলোর সত্যতা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের আগে আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)সাইফুল ইসলাম জানিয়েছে,মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়ঃ
৫ই সেপ্টেম্বর ২২০৬ইং
বিওইএম

সাঈফ মাহমুদ(সাভার)। 








