, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল,বাড়তে পারে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ ব্যয়। ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি থেকে জিয়া পরিষদের সভাপতি—মেহেদী রানা শহীদকে ঘিরে প্রশ্ন পদ-পদবীর বিনিময়ে রাজনৈতিক পুনর্বাসন? ঢাকা-১৯-এ অভিযোগের তীর। আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা-১৯-এর নেতৃত্ব ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেত্রী-কলেজছাত্রী আটক। সাভারে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে পরিচয় পাল্টানোর অভিযোগ বিরুলিয়া ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনিরের বিরুদ্ধে সাভার পৌর জিয়া পরিষদের কমিটিতে‘বিতর্কিত’শহীদ! সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ:শিক্ষকসহ ৫ গ্রেপ্তার, ৫ই আগস্টের পর‘খোলস বদল’বিরুলিয়ায় যুবলীগ নেতা এখন বিএনপির নেতা! সাভারে জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য আয়োজন,গোপীনাথ মন্দির থেকে বের হলো মঙ্গল শোভাযাত্রা।

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই।

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া(৩০ ডিসেম্বর)মঙ্গলবার ভোর ৬ ঘটিকার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন।এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দলটির সবগুলো পেজ থেকে বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে।এদিকে তার জানাজার সময় পরে জানানো হবে বলে দল থেকে জানানো হয়।দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্‌রোগ,ডায়াবেটিস,আর্থ্রাইটিস,লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩শে নভেম্বর ২০২৫ইং বেগম খালেদা জিয়াকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁরচিকিৎসা চলমান ছিলো।এছাড়াও উন্নয়ন চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল,তবে শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।সাবেক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশজাতীয় তাবাদী দল বিএনপির।যিনি বিগত ১৯৯১ইং সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান ছিলেন।১৯৪৫ ইং সালের ১৫ই আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন।তাঁদের আদি বাড়ি ফেনীতে।এছাড়াও তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।১৯৬০ইং সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন।এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।১৯৮১ইং সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুরপর ১৯৮২ইং সালের ২ই জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ যোগদানের মাধ্যমে,১৯৮৩ইং সালের মার্চে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ইং সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন হিসেবে নির্বাচিত হন।বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী।তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি।১৯৯১ইং থেকে ২০০১ইং সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন।২০০৮ইং সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১২:৩০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
জিওএমএস

জনপ্রিয়

ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল,বাড়তে পারে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ ব্যয়।

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই।

প্রকাশের সময় : ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া(৩০ ডিসেম্বর)মঙ্গলবার ভোর ৬ ঘটিকার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন।এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দলটির সবগুলো পেজ থেকে বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে।এদিকে তার জানাজার সময় পরে জানানো হবে বলে দল থেকে জানানো হয়।দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্‌রোগ,ডায়াবেটিস,আর্থ্রাইটিস,লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩শে নভেম্বর ২০২৫ইং বেগম খালেদা জিয়াকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁরচিকিৎসা চলমান ছিলো।এছাড়াও উন্নয়ন চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল,তবে শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।সাবেক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশজাতীয় তাবাদী দল বিএনপির।যিনি বিগত ১৯৯১ইং সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান ছিলেন।১৯৪৫ ইং সালের ১৫ই আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন।তাঁদের আদি বাড়ি ফেনীতে।এছাড়াও তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।১৯৬০ইং সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন।এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।১৯৮১ইং সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুরপর ১৯৮২ইং সালের ২ই জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ যোগদানের মাধ্যমে,১৯৮৩ইং সালের মার্চে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ইং সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন হিসেবে নির্বাচিত হন।বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী।তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি।১৯৯১ইং থেকে ২০০১ইং সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন।২০০৮ইং সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১২:৩০ মিনিট
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ইং
জিওএমএস