
স্টাফ রিপোর্টার,সাভার
সাভার পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি হিসেবে মেহেদী রানা শহীদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা- সমালোচনা।সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তাকে সাভার পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।ওই প্রতিবেদনে বলা হয়,ঢাকা -১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুসহ দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন করা হয়।তবে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে মেহেদী রানা শহীদের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় ও তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাকে ঘিরে।স্থানীয়দের দাবি, মেহেদী রানা শহীদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং সাভার থানা যুবলীগের নির্বাহী সদস্য ও সাবেক ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পিতা হাজী কদম আলীর নামও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত বলে দাবি করা হচ্ছে।এ ছাড়া তাকে ছাত্র- জনতা হত্যা মামলার আসামি হিসেবেও উল্লেখ করছেন স্থানীয়রা।তাদের দাবি,ওই মামলায় তিনি ২২ নম্বর আসামি।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আদালতের সর্বশেষ অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।অভিযোগ রয়েছে,মামলা ও অতীত রাজনৈতিক পরিচয় থেকে নিজেকে আড়াল করতে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে জিয়া পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়া হয়েছে।তবে অর্থ লেনদেনের এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য ও যাচাইকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।ফলে বিষয়টি তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।এদিকে প্রশ্ন উঠেছে,একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি সত্যিই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় আসামি থাকার তথ্য থাকে,তাহলে দলীয় পদ দেওয়ার আগে তার রাজনৈতিক অতীত ও মামলার বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না।ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা.দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছে সাভারবাসীর প্রশ্ন—একজন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত এবং ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি বলে যাকে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে,তাকে কী প্রক্রিয়ায় সাভার পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি করা হলো?পদ দেওয়ার আগে কি তার রাজনৈতিক অতীত,পূর্ববর্তী সাংগঠনিক পদ এবং মামলার নথি যাচাই করা হয়েছিল?আর যদি অর্থের বিনিময়ে পদ পাওয়ার অভিযোগ সত্য না হয়,তাহলে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের অবস্থান কী?সাভারবাসীর দাবি,অভিযোগ সত্য হলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে প্রকাশ্যে তা পরিষ্কার করা হোক।কারণ একটি রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে ওঠা এমন প্রশ্নের জবাব না মিললে তৃণমূলের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ সময়:০৪:০০ মিনিট
১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
আরএসইএম

স্টাফ রিপোর্টার।সাভার 











