, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাভারে সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ এনসিপির বিক্ষোভ,থানা ঘেরাও। নারী সহকর্মীদের অভিযোগের‘খেসারত’সাভার পৌরসভায় ১৩ টিকাদান কর্মীর একদিনের বেতন কর্তন,পর্ব-১ হাইকোর্টের রায়ে সিংগাইরের আট ইউপি চেয়ারম্যান ফিরছেন দায়িত্বে। আমিনবাজার থেকে বলিয়ারপুর পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান;ফেন্সিং,বৃক্ষরোপণ ও কঠোর নজরদারির ঘোষণা। জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি;মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামায়াত নেতার কড়া মন্তব্য। সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুমের ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার। সাভারে মাদক সম্রাট শামীমের স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ,বাড়ি দখলের চেষ্টায় আহত ৫ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আশুলিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমলো,জুলাই থেকে নতুন মূল্য কার্যকর। বহু নাটকীয়তার পর ডিবির হাতে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা‘ফেন্সি সামির’গ্রেপ্তার।

নারী সহকর্মীদের অভিযোগের‘খেসারত’সাভার পৌরসভায় ১৩ টিকাদান কর্মীর একদিনের বেতন কর্তন,পর্ব-১

স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাভার পৌরসভার নারী টিকাদান কর্মীদের অভিযোগ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথাবার্তা ও অশোভন ইঙ্গিতের লিখিত অভিযোগ করায় তাদের ওপর প্রতিশোধ মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।অভিযোগের পরপরই সেপ্টেম্বর মাসের এক দিনের বেতন কেটে দেওয়া হয়েছে ১৩জন টিকাদান কর্মীর।এ ঘটনাকে হয়রানি মূলক আখ্যা দিয়ে তারা কর্তন করা বেতন ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।জানা গেছে,গত ৮ই অক্টোবর ১৩ জন টিকাদান কর্মী সাভার পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করে এক দিনের কেটে নেওয়া বেতন ফেরতের দাবি জানান।এর আগে একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণ ও কর্মক্ষেত্রে অসদাচরণের অভিযোগ এনে তারা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন।অভিযোগকারী কর্মীদের ভাষ্য,সাভার পৌরসভায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ১৫ জন নারী টিকাদান কর্মী রয়েছেন।টিকাদানের পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম এবং পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরে পিয়নের কাজও তাদের দিয়ে করানো হয়।তারা দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কাজ করলেও মাসে ২৪ দিনের মজুরি পান।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন টিকাদান কর্মী জানান,অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অফিসের সব কার্যদিবসে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের পুরো মাসের বেতন দেওয়া হয় না।এ বিষয়ে দাবি জানালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন এবং বিভিন্ন সময় অশোভন ইঙ্গিত করেন।এমনকি রাত গভীরে ডাকলে উপস্থিত না হলে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।কর্মীদের দাবি,এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তারা একত্রিত হয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিতঅভিযোগ করেন।অভিযোগের জের ধরেই সেপ্টেম্বর মাসের এক দিনের বেতন কেটে দেওয়া হয়েছে,যা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ ছাড়া অন্য কিছু নয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।বেতন ফেরতের আবেদন পত্রে স্বাক্ষরকারী ১৩ জন কর্মী হলেন—হাজেরা আক্তার,ইলোরা আক্তার,মবিনুর আলম, রিনা আক্তার,ফাতেমা খাতুন,হাসিনা আক্তার,লিটন মিয়া ,আশরাফুল হক,শিরিন আক্তার,নাছিমা আক্তার,নাজমুল হক,সুফিয়া আক্তার ও ফাতেমা আক্তার।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তাঁর বক্তব্য জানার জন্য একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।এ বিষয়ে সাভার পৌর প্রশাসনের বক্তব্যও জানা যায়নি।তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।এদিকে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলেও,নেই কোনো পদক্ষেপ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার।

চলবে দ্বিতীয় কলামে,,,,,,

বাংলাদেশ সময়ঃ-০৭:০০ মিনিট
৬ই জুলাই ২০২৬ইং
এসসিএমও

জনপ্রিয়

সাভারে সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ এনসিপির বিক্ষোভ,থানা ঘেরাও।

নারী সহকর্মীদের অভিযোগের‘খেসারত’সাভার পৌরসভায় ১৩ টিকাদান কর্মীর একদিনের বেতন কর্তন,পর্ব-১

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাভার পৌরসভার নারী টিকাদান কর্মীদের অভিযোগ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথাবার্তা ও অশোভন ইঙ্গিতের লিখিত অভিযোগ করায় তাদের ওপর প্রতিশোধ মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।অভিযোগের পরপরই সেপ্টেম্বর মাসের এক দিনের বেতন কেটে দেওয়া হয়েছে ১৩জন টিকাদান কর্মীর।এ ঘটনাকে হয়রানি মূলক আখ্যা দিয়ে তারা কর্তন করা বেতন ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।জানা গেছে,গত ৮ই অক্টোবর ১৩ জন টিকাদান কর্মী সাভার পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করে এক দিনের কেটে নেওয়া বেতন ফেরতের দাবি জানান।এর আগে একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণ ও কর্মক্ষেত্রে অসদাচরণের অভিযোগ এনে তারা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন।অভিযোগকারী কর্মীদের ভাষ্য,সাভার পৌরসভায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ১৫ জন নারী টিকাদান কর্মী রয়েছেন।টিকাদানের পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম এবং পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরে পিয়নের কাজও তাদের দিয়ে করানো হয়।তারা দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কাজ করলেও মাসে ২৪ দিনের মজুরি পান।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন টিকাদান কর্মী জানান,অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অফিসের সব কার্যদিবসে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের পুরো মাসের বেতন দেওয়া হয় না।এ বিষয়ে দাবি জানালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন এবং বিভিন্ন সময় অশোভন ইঙ্গিত করেন।এমনকি রাত গভীরে ডাকলে উপস্থিত না হলে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।কর্মীদের দাবি,এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তারা একত্রিত হয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিতঅভিযোগ করেন।অভিযোগের জের ধরেই সেপ্টেম্বর মাসের এক দিনের বেতন কেটে দেওয়া হয়েছে,যা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ ছাড়া অন্য কিছু নয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।বেতন ফেরতের আবেদন পত্রে স্বাক্ষরকারী ১৩ জন কর্মী হলেন—হাজেরা আক্তার,ইলোরা আক্তার,মবিনুর আলম, রিনা আক্তার,ফাতেমা খাতুন,হাসিনা আক্তার,লিটন মিয়া ,আশরাফুল হক,শিরিন আক্তার,নাছিমা আক্তার,নাজমুল হক,সুফিয়া আক্তার ও ফাতেমা আক্তার।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তাঁর বক্তব্য জানার জন্য একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।এ বিষয়ে সাভার পৌর প্রশাসনের বক্তব্যও জানা যায়নি।তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।এদিকে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলেও,নেই কোনো পদক্ষেপ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার।

চলবে দ্বিতীয় কলামে,,,,,,

বাংলাদেশ সময়ঃ-০৭:০০ মিনিট
৬ই জুলাই ২০২৬ইং
এসসিএমও