, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে‘এআই ছবি’ছড়িয়ে বিতর্কে পৌর ৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রহমান। মেয়াদের ৮ মাস বাকি থাকতেই কলেজ গভর্নিং বডিতে রদবদল,এমপি-পত্নীকে সভাপতি করায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। সাভারে লিঙ্গ বৈচিত্র্য জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তা ও চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত সম্মানজনক কর্মসংস্থান ও সমঅধিকার নিশ্চিতের আহ্বান। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছিনতাইকারীদের প্রতিরোধ,আহত হয়েও উদ্ধার করলেন ৫০ হাজার টাকা,আটক ২ সাভারে নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল,আটক ১৩। বৃষ্টি-বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ:মন্ত্রীর মন্তব্য—সংসদেই জবাব দেব’ আশুলিয়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে রাতে বাসায় প্রবেশ করে,ভয়ভীতি ও ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগ। আজ দুপুরের মধ্যেই ঢাকা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা,জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। অটোমেশনের নামে সাভার পৌরসভায় অচলাবস্থা:উধাও পুরোনো তথ্য,বদলে যাচ্ছে লাইসেন্স নম্বর।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে‘এআই ছবি’ছড়িয়ে বিতর্কে পৌর ৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রহমান।

সাভার প্রতিনিধি:
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও সাবেক স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই)ব্যবহার করে তৈরি একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সাভার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে।রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির সঙ্গে নিজের উপস্থিতি দেখিয়ে তৈরি ওই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।এক অনুসন্ধানে জানা যায়,ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের তোলা একটি আসল ছবি ডিজিটালভাবে বিকৃত করে সেখানে অ্যাটর্নি জেনারেলের স্থানে আব্দুর রহমানের মুখ সংযোজন করা হয়।পরে সম্পাদিত ছবিটি নিজেরফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়।ছবিটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নান মহলে প্রশ্ন ওঠে।একজন সাবেক পৌর কাউন্সিলরের সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির এমন আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা সরকারি সূত্র না থাকায় বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করা হয়।তবে অনুসন্ধানের একপর্যায়ে মূল ছবিটি সংগ্রহ করে দুটি ছবির তুলনামূলক বিশ্লেষণে একাধিক অসঙ্গতি শনাক্ত করা হয়।ছবি দুটো বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্পাদিত ছবিতে আব্দুর রহমানের মুখমণ্ডল তার পরিচিত চেহারার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।মুখমণ্ডলের গঠন অস্বাভাবিকভাবে ফোলা এবং কৃত্রিমভাবে সংযোজিত বলে প্রতীয়মান হয়।এছাড়া ছবির পেছনে থাকা জাতীয় সংসদের লোগো ও’বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’লেখাতেও বিকৃতি লক্ষ্য করা যায়,যা এআই-নির্ভর বা ডিজিটালি সম্পাদিত ছবিতে প্রায়ই দেখা যায়। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির মূল ছবিতে এসব অসঙ্গতি নেই।বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে শুরুতে আব্দুর রহমান ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি নয় বলে দাবি করেন।তবে মূল ছবি দেখানো এবং একাধিক প্রশ্নের মুখে তিনি পরে স্বীকার করেন,ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।তিনি বলেন,এটি আসল ছবি নয়।আমি এআই দিয়ে বানিয়েছি।মজা করার জন্য পোস্ট করেছিলাম,কাউকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য ছিল না।তবে গণমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে,রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত এ ধরনের সম্পাদিত বা এআই-নির্মিত ছবি কোনো ধরনের স্পষ্ট সতর্কীকরণ বা ব্যাখ্যা ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করলে তা সহজেই জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে।ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।অনেকেই জনপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে আব্দুর রহমানের এমন কর্মকাণ্ডকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন এবং এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারের বিষয়ে আরও সতর্কতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৬:১৮ মিনিট
২৬শে জুলাই ২০২৬ইং
ইএসইএমসি

জনপ্রিয়

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে‘এআই ছবি’ছড়িয়ে বিতর্কে পৌর ৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রহমান।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে‘এআই ছবি’ছড়িয়ে বিতর্কে পৌর ৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রহমান।

প্রকাশের সময় : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সাভার প্রতিনিধি:
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও সাবেক স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই)ব্যবহার করে তৈরি একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সাভার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে।রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির সঙ্গে নিজের উপস্থিতি দেখিয়ে তৈরি ওই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।এক অনুসন্ধানে জানা যায়,ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের তোলা একটি আসল ছবি ডিজিটালভাবে বিকৃত করে সেখানে অ্যাটর্নি জেনারেলের স্থানে আব্দুর রহমানের মুখ সংযোজন করা হয়।পরে সম্পাদিত ছবিটি নিজেরফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়।ছবিটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নান মহলে প্রশ্ন ওঠে।একজন সাবেক পৌর কাউন্সিলরের সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির এমন আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা সরকারি সূত্র না থাকায় বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করা হয়।তবে অনুসন্ধানের একপর্যায়ে মূল ছবিটি সংগ্রহ করে দুটি ছবির তুলনামূলক বিশ্লেষণে একাধিক অসঙ্গতি শনাক্ত করা হয়।ছবি দুটো বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্পাদিত ছবিতে আব্দুর রহমানের মুখমণ্ডল তার পরিচিত চেহারার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।মুখমণ্ডলের গঠন অস্বাভাবিকভাবে ফোলা এবং কৃত্রিমভাবে সংযোজিত বলে প্রতীয়মান হয়।এছাড়া ছবির পেছনে থাকা জাতীয় সংসদের লোগো ও’বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’লেখাতেও বিকৃতি লক্ষ্য করা যায়,যা এআই-নির্ভর বা ডিজিটালি সম্পাদিত ছবিতে প্রায়ই দেখা যায়। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির মূল ছবিতে এসব অসঙ্গতি নেই।বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে শুরুতে আব্দুর রহমান ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি নয় বলে দাবি করেন।তবে মূল ছবি দেখানো এবং একাধিক প্রশ্নের মুখে তিনি পরে স্বীকার করেন,ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।তিনি বলেন,এটি আসল ছবি নয়।আমি এআই দিয়ে বানিয়েছি।মজা করার জন্য পোস্ট করেছিলাম,কাউকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য ছিল না।তবে গণমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে,রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত এ ধরনের সম্পাদিত বা এআই-নির্মিত ছবি কোনো ধরনের স্পষ্ট সতর্কীকরণ বা ব্যাখ্যা ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করলে তা সহজেই জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে।ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।অনেকেই জনপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে আব্দুর রহমানের এমন কর্মকাণ্ডকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন এবং এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারের বিষয়ে আরও সতর্কতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

বাংলাদেশ সময়ঃ ০৬:১৮ মিনিট
২৬শে জুলাই ২০২৬ইং
ইএসইএমসি