, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভুল চিকিৎসায় সন্তান হারালাম—অভিযোগে বেসরকারি হাসপাতাল সুপার মেডিকেলের বিরুদ্ধে। সাভারে‘চাকরি মেলা-২০২৬’অনুষ্ঠিত,কর্মসংস্থানের আশায় তরুণদের ব্যাপক সাড়া। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে‘এআই ছবি’ছড়িয়ে বিতর্কে পৌর ৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রহমান। মেয়াদের ৮ মাস বাকি থাকতেই কলেজ গভর্নিং বডিতে রদবদল,এমপি-পত্নীকে সভাপতি করায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। সাভারে লিঙ্গ বৈচিত্র্য জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তা ও চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত সম্মানজনক কর্মসংস্থান ও সমঅধিকার নিশ্চিতের আহ্বান। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছিনতাইকারীদের প্রতিরোধ,আহত হয়েও উদ্ধার করলেন ৫০ হাজার টাকা,আটক ২ সাভারে নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল,আটক ১৩। বৃষ্টি-বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ:মন্ত্রীর মন্তব্য—সংসদেই জবাব দেব’ আশুলিয়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে রাতে বাসায় প্রবেশ করে,ভয়ভীতি ও ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগ।

ভুল চিকিৎসায় সন্তান হারালাম—অভিযোগে বেসরকারি হাসপাতাল সুপার মেডিকেলের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সাভারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর মৃত নবজাতক প্রসবের ঘটনায় ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।সন্তানের মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকদের অবহেলাকেই দায়ী করছেন নবজাতকের বাবা ও স্বজনরা।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার গভীর রাতে হাসপাতাল জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ক্ষুব্ধ স্বজনরা দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজ্জাক প্লাজার পাশের সুপার মেডিকেল হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডে এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের দাবি,সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আনিকা বেগমকে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকরা সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন।পরে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রেহেনা নাসরিন অপারেশন করলে একটি মৃত নবজাতক প্রসব হয়।ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নবজাতকের বাবা জাহাঙ্গীর আলম।তিনি অভিযোগকরেন,আমার স্ত্রীকে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচানো যেত।আমরা আমাদের সন্তানকে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে হারিয়েছি।এর বিচার চাই।স্বজনদের অভিযোগ,ঘটনার পরহাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেয়ে তারা প্রতিবাদ জানাতে গেলে হাসপাতালের এক ব্যক্তি তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং চড়াও হন।এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা শুধু আমাদের সন্তানের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই।যদি কারও অবহেলায় এই মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার মেডিকেল হসপিটালপ্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম রেজা বলেন, কীভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে,তা আমার জানা নেই।অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে সাভার মডেল থানার ওসি(তদন্ত)নূর মোহাম্মদ বলেন,এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হবে।এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি,অভিযোগটি শুধু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।একই সঙ্গে চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় কোনো অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।উল্লেখ্য,নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবার ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও,অভিযোগের সত্যতা এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১০:৩০ মিনিট
৩০শে জুলাই ২০২৬ইং
এমইএসএম

জনপ্রিয়

ভুল চিকিৎসায় সন্তান হারালাম—অভিযোগে বেসরকারি হাসপাতাল সুপার মেডিকেলের বিরুদ্ধে।

ভুল চিকিৎসায় সন্তান হারালাম—অভিযোগে বেসরকারি হাসপাতাল সুপার মেডিকেলের বিরুদ্ধে।

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সাভারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর মৃত নবজাতক প্রসবের ঘটনায় ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।সন্তানের মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকদের অবহেলাকেই দায়ী করছেন নবজাতকের বাবা ও স্বজনরা।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার গভীর রাতে হাসপাতাল জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ক্ষুব্ধ স্বজনরা দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজ্জাক প্লাজার পাশের সুপার মেডিকেল হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডে এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের দাবি,সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আনিকা বেগমকে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকরা সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন।পরে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রেহেনা নাসরিন অপারেশন করলে একটি মৃত নবজাতক প্রসব হয়।ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নবজাতকের বাবা জাহাঙ্গীর আলম।তিনি অভিযোগকরেন,আমার স্ত্রীকে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচানো যেত।আমরা আমাদের সন্তানকে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে হারিয়েছি।এর বিচার চাই।স্বজনদের অভিযোগ,ঘটনার পরহাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেয়ে তারা প্রতিবাদ জানাতে গেলে হাসপাতালের এক ব্যক্তি তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং চড়াও হন।এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা শুধু আমাদের সন্তানের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই।যদি কারও অবহেলায় এই মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার মেডিকেল হসপিটালপ্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম রেজা বলেন, কীভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে,তা আমার জানা নেই।অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে সাভার মডেল থানার ওসি(তদন্ত)নূর মোহাম্মদ বলেন,এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হবে।এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি,অভিযোগটি শুধু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।একই সঙ্গে চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় কোনো অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।উল্লেখ্য,নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবার ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও,অভিযোগের সত্যতা এখনো কোনো সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১০:৩০ মিনিট
৩০শে জুলাই ২০২৬ইং
এমইএসএম