, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও ধারণের অভিযোগ। প্রথম স্ত্রী শয়নকক্ষে,মরিয়মের রাত কাটত বেলকনিতে: রিমান্ডে উঠে এলো এমপি নজরুলের সংসারের তথ্য। ৮ উপজেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে ইউএনও। ত্রাণের ৮০ বস্তা চালের হদিস নেই,গুদামে মিলল ৫২০ বস্তা। ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল,বাড়তে পারে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ ব্যয়। ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি থেকে জিয়া পরিষদের সভাপতি—মেহেদী রানা শহীদকে ঘিরে প্রশ্ন পদ-পদবীর বিনিময়ে রাজনৈতিক পুনর্বাসন? ঢাকা-১৯-এ অভিযোগের তীর। আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা-১৯-এর নেতৃত্ব ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেত্রী-কলেজছাত্রী আটক। সাভারে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে পরিচয় পাল্টানোর অভিযোগ বিরুলিয়া ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনিরের বিরুদ্ধে
পুলিশের তদন্তে মিলেছে ভিডিওটি স্বামী-স্ত্রীর নিজেদের ধারণের তথ্য,অভিযোগ আমলে নেয়নি থানা।

জমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও ধারণের অভিযোগ।

সাভার প্রতিনিধি:
সাভারে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে পরে সেটিকে‘ব্ল্যাকমেইল’ও হুমকির ঘটনা হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি,তদন্তে ওই ভিডিও পুরোনো এবং সেটি খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী নিজেরাই ধারণ করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগও আমলে নেয়নি পুলিশ।স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সাভারের ভাগ্নিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা খোরশেদ আলমের সঙ্গে একই এলাকার টুটুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।এই বিরোধের জেরেই প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে খোরশেদ আলম তার স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ।অভিযোগ রয়েছে,পরবর্তীতে একটি ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিও খোরশেদের স্ত্রীর মুঠোফোনে পাঠানো হয়। ভিডিওটি প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।এরপর কৌশলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ তোলা হয়।এ ঘটনায় টুটুল ইসলাম,সোহেল রানাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন খোরশেদ আলম। তবে অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ ভিডিওটির সঙ্গে অভিযোগের সামঞ্জস্য খুঁজে পায়নি বলে জানিয়েছে।বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল-আমিন বলেন,প্রায় দুই মাস আগে খোরশেদ আলম ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ করেছিলেন।তদন্তে দেখা যায়,ভিডিওটি পুরোনো এবং স্বামী-স্ত্রী নিজেরাই এটি ধারণ করেছিলেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেও ঘটনাটি সাজানো হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এ কারণে অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়নি।এদিকে বৃহস্পতিবার খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের ঘটনা ঘটে।ওই সময় মুন্নি আক্তার তার মুঠোফোনে স্বামীর হামলার একটি ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা গেছে।পরে তিনি স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর বিষয়টিও স্বীকার করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।মুন্নি আক্তার বলেন,তার স্বামী তাকে দিয়ে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করেছেন এবং সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে থানায় অভিযোগ করেছিলেন।একই সঙ্গে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে,অভিযোগকারী পক্ষের বিরুদ্ধে জমি বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করে টুটুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।আমাদের ফাঁসানোর জন্য তারা নিজেরাই ভিডিও ধারণ করে পরে ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। এখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের কারণে প্রকৃত ঘটনা সামনে এসেছে।তিনি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত ভিডিওকে হাতিয়ার বানিয়ে কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়ে থাকলে,তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১১:৩২ মিনিট
৩ই অক্টোবর ২০২৬ইং
ইউএমএস

জমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও ধারণের অভিযোগ।

পুলিশের তদন্তে মিলেছে ভিডিওটি স্বামী-স্ত্রীর নিজেদের ধারণের তথ্য,অভিযোগ আমলে নেয়নি থানা।

জমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও ধারণের অভিযোগ।

প্রকাশের সময় : ১৮ ঘন্টা আগে

সাভার প্রতিনিধি:
সাভারে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে পরে সেটিকে‘ব্ল্যাকমেইল’ও হুমকির ঘটনা হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি,তদন্তে ওই ভিডিও পুরোনো এবং সেটি খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী নিজেরাই ধারণ করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগও আমলে নেয়নি পুলিশ।স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সাভারের ভাগ্নিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা খোরশেদ আলমের সঙ্গে একই এলাকার টুটুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।এই বিরোধের জেরেই প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে খোরশেদ আলম তার স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ।অভিযোগ রয়েছে,পরবর্তীতে একটি ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিও খোরশেদের স্ত্রীর মুঠোফোনে পাঠানো হয়। ভিডিওটি প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।এরপর কৌশলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ তোলা হয়।এ ঘটনায় টুটুল ইসলাম,সোহেল রানাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন খোরশেদ আলম। তবে অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ ভিডিওটির সঙ্গে অভিযোগের সামঞ্জস্য খুঁজে পায়নি বলে জানিয়েছে।বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল-আমিন বলেন,প্রায় দুই মাস আগে খোরশেদ আলম ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ করেছিলেন।তদন্তে দেখা যায়,ভিডিওটি পুরোনো এবং স্বামী-স্ত্রী নিজেরাই এটি ধারণ করেছিলেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেও ঘটনাটি সাজানো হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এ কারণে অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়নি।এদিকে বৃহস্পতিবার খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের ঘটনা ঘটে।ওই সময় মুন্নি আক্তার তার মুঠোফোনে স্বামীর হামলার একটি ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা গেছে।পরে তিনি স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর বিষয়টিও স্বীকার করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।মুন্নি আক্তার বলেন,তার স্বামী তাকে দিয়ে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করেছেন এবং সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে থানায় অভিযোগ করেছিলেন।একই সঙ্গে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে,অভিযোগকারী পক্ষের বিরুদ্ধে জমি বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করে টুটুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।আমাদের ফাঁসানোর জন্য তারা নিজেরাই ভিডিও ধারণ করে পরে ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। এখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের কারণে প্রকৃত ঘটনা সামনে এসেছে।তিনি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত ভিডিওকে হাতিয়ার বানিয়ে কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়ে থাকলে,তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১১:৩২ মিনিট
৩ই অক্টোবর ২০২৬ইং
ইউএমএস