
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
দুস্থ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ ৬০০ বস্তা সরকারি চালের মধ্যে গুদামে পাওয়া গেছে ৫২০ বস্তা। বাকি ৮০ বস্তা চালের হদিস না মেলায় সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।এসব চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো:সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে।অভিযোগের পর মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর)রাতে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ৫২০ বস্তা চাল উদ্ধার করে সিলগালা করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও) কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চৌহালী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের সহায়তার জন্য মোট ৫৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।উপকারভোগীদের মধ্যে ৩০ কেজি করে এসব চাল বিতরণের কথা রয়েছে।এর মধ্যে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৮ মেট্রিক টন বা ৬০০ বস্তা চাল। ওই চাল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: সাইদুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।পরে বরাদ্দের চালের একটি অংশ কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট গুদামে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে বরাদ্দের ৬০০ বস্তার পরিবর্তে ৫২০ বস্তা চাল পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করা চালগুলো সিলগালা করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসান শাকিল বলেন,আমরা ৬০০ বস্তা চাল না পেয়ে ৫২০ বস্তা চাল পেয়েছি।প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুর রহমানকে গতকাল(বুধবার)ডাকা হয়েছিল।তবে তিনি আসেননি। তিনি পলাতক রয়েছেন।এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী,৮০ বস্তা চালের ঘাটতির বিষয়টি তদন্তের পর এর প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বাংলাদেশ সময়: ১০:৫৩ মিনিট
২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
এসজিওএম

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি। 












